সুপ্রিম কোর্ট বারে পরাজয়: তথ্য যাচাই করছে আওয়ামী লীগের অনুসন্ধান কমিটি

প্রতিবেদক : Admin
প্রকাশিত: 5 April, 2018 1:05 am

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজয়ের কারণ হিসেবে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করছে অনুসন্ধান কমিটি। গত দুই দিন ধরে এই কমিটি কাজ করছে এ বিষয়ে। মঙ্গলবার তারা কথা বলে নির্বাচনে পরাজিত দুই প্রার্থীর সঙ্গে। আর পরদিন আজ তারা কথা বলেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমহসহ সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে।

সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার এক বৈঠকে অনুসন্ধান কমিটি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানে প্রার্থীদের ডেকে কথা বলেন। পরাজিত প্রার্থীদের কাছ থেকে পরাজয়ের কারণগুলো জেনে নেয় কমিটি। দ্বিতীয় দিন বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে আগের দিনের বৈঠকে পাওয়া তথ্যগুলো খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্টের বেশ কয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেন তিনি ও অনুসন্ধান কমিটির অন্য সদস্যরা। অনুসন্ধান কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, আওয়ামী লীগের কেদ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী নজীবুল্লাহ হীরু ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মোতাহার হোসেন সাজু।

জানা গেছে, দুই প্রার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ ও সত্যতা যাচাই-বাছাই করছে কমিটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমিটির একজন সদস্য বলেন, আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। আরও তথ্য পাবো বলে আশা করছি। আগামীকাল আবারও বসবো আমরা। একই সঙ্গে প্রাপ্ত তথ্যের যাচাই-বাছাই করছি। আশা করছি বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই দলীয় সভানেত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলের ভরাডুবির কারণ অনুসন্ধানে গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সর্বসম্মতিক্রমে পাঁচ সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে আওয়ামী লীগ। দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর নেতৃত্বে গঠিত কমিটিতে আরও রয়েছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।

উল্লেখ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির এ বছর নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল ১০টি এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল পেয়েছে চারটি পদ। যদিও আগের বছর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল জিতেছিল ছয়টি পদে।