ঢাকা , ১৭ই আগস্ট ২০১৮ ইং , ২রা ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
প্রচ্ছদ » সংসদ ও মন্ত্রী সভা » সম্পূরক বাজেট পাস: সবচেয়ে কম বরাদ্দ পেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট

সম্পূরক বাজেট পাস: সবচেয়ে কম বরাদ্দ পেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন

২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য ১৫ হাজার ৩৩৯ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট পাস হয়েছে। এ অর্থবছরে সরকারের যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ তাদের মূল বরাদ্দের থেকে বেশি খরচ করেছে, তার অনুমোদন নিতেই জাতীয় সংসদে সম্পূরক বাজেট পাস হলো। এ বাজেটে সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টকে, আর সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগকে।

আগামী ৩০ জুন সমাপ্য অর্থবছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল থেকে মঞ্জুরি করা অর্থের অধিক অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণের কর্তৃত্ব প্রদানের জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আজ সোমবার (১১ জুন) সংসদে ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল-২০১৮’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সম্পূরক বাজেটের ওপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টির ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা ১৭৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব দেন। তবে সেগুলো কণ্ঠভোটে বাতিল হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ২২টি মঞ্জুরি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূরক বাজেটটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সম্পূরক বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগকে। এ বিভাগকে দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ৯২৬ কোটি ১১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। সবচেয়ে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টকে তিন কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে তিন হাজার ৩৪৭ কোটি ৪১ লাখ ৬২ হাজার।

ছাঁটাই প্রস্তাবগুলোর মধ্যে চারটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হওয়া মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো হলো— জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ।

সম্পূরক আর্থিক বিবৃতিতে বলা হয়, “২০১৭-১৮ অর্থবছরের মূল বাজেটে ৬২টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের অনুকূলে নিট চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। সংশোধিত বাজেটে ২৪টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের বরাদ্দ ১৫ হাজার ৩৩৯ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৩৫টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের বরাদ্দ ৪৬ হাজার ৫৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে। সার্বিকভাবে ২৮ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা হ্রাস পেয়ে সংশোধিত বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে নিট ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা।