কুড়িগ্রাম-৩ আসনের উপ-নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০১৮ ৪:০৬ অপরাহ্ণ
উপ-নির্বাচন

কুড়িগ্রাম-৩ আসনের উপ-নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এক বাসিন্দা।

আজ বুধবার (১৮ জুলাই) ওই ব্যাক্তির আইনজীবী শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) এ রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।

গত ১১ মে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলামের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।

জাহাঙ্গীর আলম জানান, ৩০ এপ্রিল সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে বলা হয়, চিলমারী উপজেলার চারটি ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম-৪ আসনে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই চার ইউনিয়ন হলো চিলমারী, রমনা, রানীগঞ্জ ও থানাহাট।

এদিকে ১০ জুন রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জি এম সাহাতাব উদ্দিন কুড়িগ্রাম-৩ আসনের নির্বাচনের জন্য একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২৪ জুন মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। ২৬ জুন মনোনয়নপত্র বাছাই ও ৩ জুলাই প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২৫ জুলাই ওই আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

পরের দিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম রাকিব গণমাধ্যমকে জানান, কুড়িগ্রাম-৩ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হলেও উপ-নির্বাচন ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী সীমানা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। পূর্ববর্তী সীমানা অনুযায়ী এ আসনের বর্তমান ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮১১ জন। আসনটিতে উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়ন বাদে বাকি অংশ এবং চিলমারী উপজেলার রমনা, থানাহাট, চিলমারী ও রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত।

জাহাঙ্গীর আলম জানান, রিট আবেদনকারী এস এম মোস্তাফিজুর রহমান রমনা ইউনিয়নের বাসিন্দা। ৩০ এপ্রিলের গেজেট মতে তিনি কুড়িগ্রাম-৪ এর বাসিন্দা হলেও এ নির্বাচনে তাকে ভোট দিতে বলা হয়েছে কুড়িগ্রাম-৩ এ। এটা তো সঠিক হলো না। তাই তিনি এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এ অবস্থায় নির্বাচনও স্থগিত চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন ২৫ তারিখ। যদি এর মধ্যে সব ঠিক করা হয়, তাহলে ২৫ তারিখ নির্বাচন হতেও বাধা থাকবে না।

এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এমএ মতিন এবং জাপার প্রার্থী ডা. আক্কাছ আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।