ইউনাইটেড হাসপাতালকে হোল্ডিং ট্যাক্সের ৭৫ ভাগ জমা দেয়ার নির্দেশ

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ৩০ জুলাই, ২০১৮ ৫:৩৭ অপরাহ্ণ

ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড কর্তৃপক্ষের বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্সের ৭৫ ভাগ জমা দিয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার (৩০ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ ইউনাইটেড হাসপাতালের পক্ষে ছিলেন তানজীব-উল আলম। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

পরে আইনজীবী জ্যোর্তিময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের জানান, ২০০৬ সালে ইউনাইটেড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স না দিয়ে বকেয়া রাখে। এ হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে সিটি কর্পোরেশনে থেকে বারবার তাগাদা দেয়ার পরও তারা বকেয়া পরিশোধ না করে হাইকোর্টে রিট করে। ওই রিটের শুনানি শেষে স্কয়ার হাসপাতালের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের নির্দেশ দিয়ে গত ১০ এপ্রিল বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন।

তিনি আরও জানান, হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে আপিল দায়ের করি। চেম্বার আদালত আপিল আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে দেন এবং শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

সোমবার আপিল বিভাগ শুনানি শেষে ২০০৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বকেয়া থাকা হোল্ডিং ট্যাক্সের ৭৫ ভাগ জমা দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আপিল করার নির্দেশ দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন।

১৯৮৪ সালের ৭ (১৩) বিধি অনুযায়ী সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল দায়ের করতে পারেন। কিন্তু ইউনাইটেড হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ তা না করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছে, যা আইনের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

২০০৬ সালে রাজধানীর গুলশান-২ আবাসিক এলাকার ৭১ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়ির বেজমেন্টসহ একটি আটতলা ভবনে কার্যক্রম শুরু করে কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল। পরের বছর মালিকানা ও নাম বদলে ‘ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড’ করা হয়।