নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বিবেকবোধ জাগ্রত করা প্রয়োজন


প্রকাশিত :১৬.১১.২০১৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ

adv-mimiরীনা পারভীন মিমি

নারী কোন খেলনা কিংবা শোপিস নয়। নারীও একজন মানুষ। পুরুষ নামক কাপুরুষরা যেভাবে নারীকে ব্যবহার করেন কিংবা মন চাইলে গায়ে হাত তুলেন অথবা মানসিক নির্যাতন করেন তাতে মনে নারী কোন মানুষ না।

কিছুদিন আগে দেখা একটি ঘটনা থেকেই এই লেখা। ঢাকা বিমানবন্দরে যাত্রীদের বসার স্থানে বসে আছি। একটি সময় দেখলাম, দেশের বাহির থেকে আসা এক দম্পতী, নারীটির বয়স হবে ২৫/২৬। নারীটি কোলে তাঁর সন্তান ছিল; আবার হাতে বিশাল ব্যাগ। হঠাৎ ব্যাগটি তাঁর হাত থেকে পড়ে যায়। মহিলাটির স্বামী ওখানেই বকাঝকা শুরু করে দেয়। আমিসহ অপেক্ষমাণ সকল যাত্রী এই নারীর অপমান দেখলো। নারীটি লজ্জায় তাঁর মুখ লুকাতে চাইলো। বুঝতে বাকী নেই, যে নারীকে বাহিরে এমন অপমান সহ্য করতে হয় সে নারী গৃহে চার দেয়ালে কি অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করে বেঁচে আছে।

এখানে যদি কেউ প্রতিবাদী ভাষা ব্যবহার করে তাহলে বলে উঠবে ‘আমার বউকে আমি যা ইচ্ছে তাই বলবো কিংবা গায়ে হাত তুলবো তাতে অন্যের কি’।

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইন নয়, সবার আগে প্রয়োজন মানুষের বিবেকবোধ জাগ্রত করা। পাশাপাশি পথে ঘাটে মাঠে কোন নারীকে নির্যাতিত হতে দেখলে দর্শকের ভূমিকায় নয়, প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধের ভূমিকায় এগিয়ে আসা উচিত; তাতে নির্যাতকেরা ভয় পাবে।
আসুন, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে গড়ে তুলি সামাজিক প্রতিরোধ।

 

 

লেখক: আইনজীবী।



ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট © 2016 lawyersclubbangladesh এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Designed By Linckon