মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ২১ বছর পর দায়মুক্তি


প্রকাশিত :০২.১২.২০১৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ

বিবিসি বলছে, হিবেই প্রদেশের সিজিয়াঙের একজন নারীকে হত্যার অভিযোগে ১৯৯৫ সালে ফায়ারিং স্কোয়াডে মাত্র ২০ বছর বয়সী নি শুবিন নামে ওই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

চীনের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, নি-এর বিচার ছিল ‘অস্বচ্ছ এবং তথ্যপ্রমাণ যথেষ্ট নয়’।

নি-এর পরিবার দুই দশক ধরে তাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর নি-এর পরিবার সমর্থকদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছে।

১১ বছর আগে অপর একজন ব্যক্তি স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন যে, ওই অপরাধ তিনি নিজে করেছেন। কিন্তু তার দাবি প্রত্যাখ্যাত হয়।

চীনের আদালতে দণ্ড দেওয়ার হার ৯৯ শতাংশ। দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা রাষ্ট্রীয় গোপনীয় বিষয় বলে বিবেচিত হয়। কিন্তু ধারণা করা হয় প্রতিবছর দেশটিতে হাজার হাজার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা ঘটে।

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো অভিযোগ করে আসছে, জোর করে কিংবা ব্যাপক নির্যাতনের মাধ্যমে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ানো হয়।

চীনে দণ্ডিতকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল ঘটনা।

২০১৪ সালে ইনার মঙ্গোলিয়ার এক কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ১৮ বছর পর তাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ওই কিশোরের বাবা-মাকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৪,৮৫০ মার্কিন ডলার পরিমান অর্থ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, এই মামলার সঙ্গে জড়িত ২৭ কর্মকর্তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।

নি-এর মামলা চীনে অত্যন্ত আলোচিত একটি ঘটনা। এর মধ্যদিয়ে দেশটির বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতাই আবারো প্রকট হয়ে উঠল বলে অনেকে মনে করেন।



ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট © 2016 lawyersclubbangladesh এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Designed By Linckon