• প্রচ্ছদ » Uncategorized » লেকহেড গ্রামার স্কুল নিয়ে রুলের পরবর্তী শুনানি সোমবার



লেকহেড গ্রামার স্কুল নিয়ে রুলের পরবর্তী শুনানি সোমবার


প্রকাশিত :১২.১১.২০১৭, ৩:৪১ অপরাহ্ণ

লেকহেড গ্রামার স্কুলের গুলশান ও ধানমন্ডি শাখা বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুলের শুনানি সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন শুনানি শেষে স্কুলের বিষয়ে আদালত আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আজ রোববার (১২ নভেম্বর) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এএফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

পরে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ আমরা স্কুলটির বিষয়ে শুনানি করেছি। তবে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি মুলতবি চেয়ে দুই/তিন সপ্তাহের সময় আবেদন করেছিলেন। আমরা সেই আবেদনের বিরোধিতা করেছি। আদালত আগামীকাল সোমবার ২টায় শুনানির দিন ধার্য করেছেন। ওইদিনই স্কুলটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’

তিনি জানান, এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) দুইটি রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত রুল দিয়েছিলেন। তবে ১০ জন অভিভাবকের পক্ষে আজ আরও একটি রিট ফাইল হয়েছে। আগামীকাল সোমবার এই আবেদনটিরও শুনানি হবে।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর গুলশান ও ধানমন্ডির দুটি শাখাসহ লেকহেড স্কুলের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যুগ্ম-সচিব সালমা জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসককে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, সরকারের অনুমোদন না নেওয়া প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত।

পরে গত ৯ নভেম্বর ওই স্কুল বন্ধের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে স্কুলের মালিক খালেদ হাসান মতিন ও ১২ শিক্ষার্থীর অভিভাবকের পক্ষে দুটি রিট দায়ের করা হয়। রিট দুটির আংশিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন।

শুনানি শেষে বন্ধ স্কুলটি খুলে দিতে এবং স্কুলের মালিককে তার প্রতিষ্ঠান খোলা ও পরিচালনা করতে দেওয়ার জন্য কেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চায়ে রুল দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কোনও প্রতিবন্ধকতা ছাড়া শিক্ষার্থীদের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়।

শিক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ওই তিন রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

 

সুপ্রিমকোর্ট প্রতিনিধি/ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডটকম



ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট © 2016 lawyersclubbangladesh এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Designed By Linckon