•  

  • আইন পেশাকে সেবার পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করেছি

    দেশের প্রবীণ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার। দেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান। বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে। তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের সংগঠন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি।

    আবদুল বাসেত মজুমদারের জন্ম ১৯৩৮ সালের ১ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার শানেচৌ গ্রামে। লাকসামের হরিচ্চর হাইস্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন (এসএসসি), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট ও বিএ পাস করেন তিনি। এরপর ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে এমএ ও ১৯৬৩ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৬ সাল থেকে আইন পেশায় নিয়োজিত। বাবার ইচ্ছায় আইন পেশায় আসার পর তিনি এ অঙ্গনে নিজেকে খ্যাতিমান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    মানবসেবায়ও আবদুল বাসেত মজুমদার নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। যে কারণে খ্যাতি পেয়েছেন ‘গরীবের আইনজীবী’ হিসেবে। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় আবদুল বাসেত মজুমদার এতিমখানা, গ্রামের বাড়ি লাকসামে আবদুল বাসেত মজুমদার স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার নামে প্রতিষ্ঠিত আবদুল বাসেত মজুমদার ট্রাস্ট-এর তহবিল থেকে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের আইনি সহায়তাও করা হয়।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দেশের সমসাময়িক অবস্থা ও বিচার ব্যবস্থার নানাদিক নিয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারে আবদুল বাসেত মজুমদার অভিমত দেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন পাওয়ার বিষয়টা পুরো বিচার প্রক্রিয়ারই অংশ। প্রত্যেক আসামিই জামিন চাইতে পারে। তিনি মনে করেন শীর্ষ সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও গুরুতর অপরাধী ছাড়া প্রত্যেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন পাওয়ার বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।

    মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে ২০০৭ সালে নির্বাহী থেকে বিচার বিভাগ আলাদা করা হয়েছে। এ অবস্থায় নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে বিচার বিভাগের কেমন সম্পর্ক বিরাজ করছে বলে আপনি মনে করছেন?

    বাসেত মজুমদার : আইনগত, নীতিগত ও সাংবিধানিকভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক। কিন্তু বিচার বিভাগকে পুরোপুরি পৃথকীকরণ করতে হলে আরো কতগুলো পদক্ষেপ নিতে হয়। এটি চলমান প্রক্রিয়া। সেসব পদক্ষেপ নিতে গেলে একটু সময় লাগবে। মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় গঠন করার কথা। বর্তমান সরকার সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে। আমরা মনে করি, বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ইতোমধ্যে কিছু কিছু পদে নিয়োগের ক্ষমতা অর্জন করেছে। এছাড়া সুপ্রিমকোর্টের পরামর্শে বা প্রধান বিচারপতির মতামতে আইন মন্ত্রণালয় বিচারক নিয়োগ, বদলি, পদায়ন ও পদোন্নতির ব্যবস্থা করছে।

    বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সম্প্রতি দুদকের মামলায় হাইকোর্ট সাজা দিয়েছেন। এই মামলায় বিচারকে কেন্দ্র করে সরকার ও বিএনপি একে অপরের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের উপর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ আনছে, আপনি বিষয়টিকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

    বাসেত মজুমদার: কোনো মামলায় যেকোনো আদালত যখন রায় দেয়, আমরা আইনজীবী হিসেবে সেটা মেনে নেই। আমরা কখনও এটা বলি না যে বিচারক প্রভাবিত হয়ে রায় দিয়েছেন। আর কেউ যদি বলে থাকেন বিচারকরা প্রভাবিত হন, তাও আমরা বিশ্বাস করি না। কারণ আমরা বিশ্বাস করি সরকার কখনও বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করে না। বিচারকরাও তাদের কাজে প্রভাবান্বিত হন না।

    বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বার ও বেঞ্চের মধ্যে সুসম্পর্ক রক্ষায় বার কাউন্সিল কতটা ভূমিকা রাখতে পারছে বলে আপনি মনে করেন?

    বাসেত মজুমদার : বার কাউন্সিল একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। এর অধীনে ৭৬টি বার অ্যাসোসিয়েশন আছে। কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনে আদালতের সঙ্গে বিরোধ হলে আমরা তা নিরসনে উদ্যোগ নেই। প্রত্যেক আইনজীবী সমিতিকে বলে দিয়েছি, আদালতের সঙ্গে বিরোধ হলে বা আদালত বর্জনের মতো চূড়ান্ত কর্মসূচি নিতে হলে বার কাউন্সিলের পরামর্শ নিতে হবে। আদালতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখার জন্য আমরা মধ্যস্থতা করি।

    বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ গঠন করা যায় কি না?

    বাসেত মজুমদার: বাহাত্তর সালে যখন বঙ্গবন্ধু সংবিধান প্রণয়ন করেন, তখন হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ গঠনের বিধান রাখা হয়েছিল। তবে হঠাৎ এরশাদ সাহেব এসে কোর্টগুলো যেভাবে বাইরে নেওয়ার উদ্যোগ নেন, তা সংবিধান বহির্ভূত। অর্থাৎ সার্কিট আকারে বেঞ্চ বসতে পারে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের অখণ্ডতা বজায় রাখতে হবে। মামলার আধিক্য হলে হয়তো এক মাস কোনো একটি জেলায় হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ বসবে। সেখানে ওই অঞ্চলের যতো মামলা নিস্পত্তি হবে। এটা করা যেতে পারে। তবে সার্কিট বেঞ্চ গঠনের জন্য বিচার বিভাগ ও সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।
    সংবিধান অনুযায়ী আমাদের দেশে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাই ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট স্থায়ীভাবে করতে চাইলে প্রদেশ গঠনের প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে স্বাধীন হয়নি, একটা কনসেপ্টের উপর দেশটা স্বাধীন হয়েছে। আমরা বাঙালি ও ৯০ শতাংশ মুসলমান, যারা পাকিস্তানীদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে। তাই দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। হঠাৎ প্রাদেশিক ব্যবস্থার দিকে যেতে গেলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    দুর্বল অভিযোগপত্র ও বিলম্বে অভিযোগপত্র দেওয়ায় প্রকৃত আসামিরা ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে বলে অনেক সময় অভিযোগ ওঠে-এক্ষেত্রে করণীয় কী?

    বাসেত মজুমদার : দুর্বল অভিযোগপত্র ও আমাদের প্রসিকিউসনের ব্যর্থতার কারণে প্রকৃত আসামিরা অনেক সময় ছাড়া পেয়ে যায়। এজন্য আমরা একটা স্থায়ী তদন্ত কমিশন করার প্রস্তাব করেছিলাম। পুলিশ বিভাগের তদন্ত সংস্থাকে সম্পূর্ণ আলাদা করতে হবে। যে ব্যক্তি সকালে রায়টের ডিউটি করছে, সন্ধ্যার সময় এমপি মন্ত্রীকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। তাকেই রাতে এসে বলবে একটা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাও। এভাবে হবে না। তাছাড়া প্রভাবশালীরা তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। তখন কথামতো কাজ না করলে বদলি করার বা অন্যভাবে হয়রানি করার ভয় দেখানো হয়। স্থায়ী তদন্ত সংস্থা থাকলে তদন্তের ক্ষেত্রে সেই প্রভাবও কমে আসে। এখন দুদক যেটা করেছে তাদের ডেপুটেশনও হয় না, বাইরেও যেতে হয় না। পাসপোর্ট অফিসে চেয়ার থেকে ডেপুটি ডাইরেক্টরকে আটক করে নিয়ে আসছে। সাব-রেজিস্ট্রারদের অর্ধেক এখন পলাতক, দুদকের কর্মকর্তাদের ভয়ে রাতে সই দেয়। অথচ এই দুদকই ক’দিন আগে এমনই ছিল। ইকবাল হাসান সাহেব আসার পর এই পরিবর্তন হয়েছে।

    ফৌজদারী মামলায় আসামি ছাড়া পেয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলিদের দুর্বলতার বিষয়ে কি বলবেন?

    বাসেত মজুমদার : এই দুর্বলতা দূর করতে হলে এখানেও স্থায়ী প্রসিকিউশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এখন যা আছে দেখা গেল একজন মামলার মাঝামাঝিতে চলে যাচ্ছেন। তখন নতুন যিনি আসেন উনি আগাগোড়া কিছু জানেন না। যিনি প্রসিকিউশনে থাকেন তিনিও মনে করেন আমি তো আর সবসময় এখানে নাই, যা হওয়ার একটা কিছু হয়ে যাক। তাই স্থায়ী প্রসিকিউশন থাকলে জবাবদিহিতা থাকবে।

    দেশে ৩০ লাখের উপরে মামলা আছে, এগুলো কীভাব দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়?

    বাসেত মজুমদার: আইনে সাধারণভাবে দুটি কথা বলা হয়- জাস্টিস হারিড জাস্টিস বারিড (তাড়াহুরো ন্যায়বিচারকে সমাহিত করে) এবং জাস্টিস ডিলেইড জাস্টিস ডিনাইড (বিলম্ব ন্যায়পরায়নতাকে ব্যাহত করে)। তাই মাঝামাঝি একটা নীতি গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু বর্তমান সমাজে একটা প্রবণতা আছে অভিযুক্ত আসামিরা জামিনের জন্য এলে আমরা যারা আসামিপক্ষে থাকি তারা জামিন চাই। আর যারা রাষ্ট্রপক্ষে থাকি তারা জামিনের ঘোরতর বিরোধিতা করি। প্রত্যেকেই মনে করি জামিনটা দেওয়া না হলে ভালো হতো। কিন্তু জামিনটা পুরো বিচার প্রক্রিয়ার অংশ। প্রত্যেক আসামি জামিন চাইতে পারে। বড় মামলাগুলো শেষ করতে অনেকদিন সময় লাগে। সেদিকে আমাদের নজর নাই। নজর হলো জামিন দেওয়া আর না দেওয়ার ব্যাপারে। আইন অঙ্গনে এটা বিরাট এক সমস্যা। এই কনসেপ্ট পরিবর্তন করতে হবে। জামিন বন্ধ করে দিলে, কোর্ট-কাচারিতে দুর্নীতি বেড়ে যাবে। আমি মনে করি সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও গুরুতর অপরাধী ছাড়া প্রত্যেকের জামিন পাওয়ার বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।

    বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ারে মানুষ হত্যার বিষয়টি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

    বাসেত মজুমদার : বর্তমান সমাজে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী অপতৎপরতা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আইন প্রয়োগে কঠোর হওয়া প্রয়োজন। আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষার্থে গুলি চালালে তাতে যদি কেউ হতাহত হয়, সেটা আইন বহির্ভূত নয়। তথাপি ব্যক্তিগতভাবে আমি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সেই ট্রাইব্যুনালে একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে, এ বিচার প্রক্রিয়াকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন।

    বাসেত মজুমদার : আমরা বিশ্বাস করি, প্রত্যেক হত্যার বিচার হতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দায়মুক্তি অধ্যাদেশের মতো জঘন্যতম আইন করে বিচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে সেই আইন বাতিল করলে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। তেমনি একাত্তর সালে জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ যারা করেছে তাদের বিচার হওয়াটা জরুরি ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল স্বাধীনতা বিরোধীদের সহায়ক শক্তি। তাই এতোদিন বিচার হয়নি। জননেত্রী শেখ হাসিনার ২০০৮ সালের নির্বাচনী অঙ্গীকার এই যুদ্ধাপরাধীর বিচার। তাই ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে এই বিচার শুরু করেন। ইতোমধ্যে বড় বড় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও সাজা কার্যকর হয়েছে। জনমানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাকিদেরও বিচার হবে।

    সর্বোচ্চ আদালত একাধিক মন্ত্রীকে দণ্ড দেওয়ার পরও তাদের পদে থাকা কতটা নৈতিক?

    বাসেত মজুমদার : নৈতিকতা হলো যার যার বিবেক। তাদের বিবেক অনুযায়ী তারা কী করবেন, সেটা তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এ সম্পর্কে আমার কোনো মন্তব্য করাটা ঠিক হবে না।

    আপনি তো ‘গরীবের আইনজীবী’ হিসেবে পরিচিত। বিচারপ্রার্থীদের সহজে ও স্বল্প খরচে বিচার পাওয়ার কৌশলটা বলবেন?

    বাসেত মজুমদার : সহজে কম সময়ে বিচার পাওয়া একটি আইনগত প্রক্রিয়া। যেসব আইন প্রচলিত আছে সেগুলো ব্রিটিশ আইন। এসব বর্তমান আইন পরিবর্তন করতে হবে। তাছাড়া বিচার পাওয়াটা আমাদের দেশে ব্যয় সাপেক্ষ। এজন্য আইনজীবীদের সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশ্বাস করি, মনেপ্রাণে আমি মানুষের সেবা করছি। অসহায় মানুষেরাই বিচারের আশায় আদালতে আসে। সেই অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্যই অর্থকে মুখ্য হিসেবে না দেখে, আইন পেশাকে সেবার একটি পাথেয় হিসেবেই আমি গ্রহণ করেছি।

    একজন প্রবীণ আইনজীবী হিসেবে দেশের তরুণ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ কি?

    বাসেত মজুদার : তরুণ আইনজীবীদের দায়িত্ব হলো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করা। মক্কেল ও কোর্ট উভয়ের প্রতি আইনজীবীদের দায়িত্ব আছে। এ দুটির সমন্বয় করে বিচারে আদালতকে সহায়তা করতে হবে।

    আপনার পারিবারিক জীবন সম্পর্কে যদি বলতেন।

    বাসেত মজুমদার: আমার সিনিয়র আবদুস সালাম সাহেবের স্ত্রী আমাকে খুব স্নেহ করতেন। মূলত তার মাধ্যমেই ১৯৬৫ সালের জুলাইয়ে তার বোনের মেয়ে রওশন জাহান মেহেরুন্নেসার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। আমাদের চার সন্তানের মধ্যে ছেলে গোলাম মহিউদ্দিন আবদুল কাদের ব্যবসা করে ও সাঈদ আহমদ রাজা আইনজীবী। মেয়ে ফাতেমা আক্তার লুনা রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও খাদিজা আক্তার ঝুমা উত্তরা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক।

    সূত্র: দ্য রিপোর্ট

     

    সম্পাদনা- ল'ইয়ার্সক্লাববাংলাদেশ.কম

     
    ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বাংলাদেশ সময় ১১:৪১