•  

  • ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আইনি নোটিশ


    ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীকে রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়ার বিধান সম্বলিত স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন (সংশোধন) ২০১৫ বাতিল চেয়ে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

    আজ সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পাঁচ আইনজীবীর পক্ষে মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে নোটিশটি পাঠান।

    নোটিশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্টপতির সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের সচিব, আইন সচিব, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব ও আইন মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং উইংয়ের সচিবকে চার সপ্তাহের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় হাইকোর্টে একটি রিট করা হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশে বলা হয়, স্বাধীনতার পর প্রণীত সংবিধানে স্থানীয় সরকারকে অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা হয়েছে এবং সব নির্বাচন সেই অনুসারে হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত গঠন করে বিচারের দায়িত্ব চেয়ারম্যানকে দেয়া হয়েছে। নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার করার দায়িত্ব দেয়া হলেও যিনি রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হবেন তার কাছ থেকে বিরোধীরা নিরপেক্ষ ও ন্যায়বিচার পাবেন না।

    নোটিশে আরো উল্লেখ করা হয়, কুদরত ইলাহি পনির বনাম বাংলাদেশ মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্থানীয় প্রশাসনকে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ সংশোধন করে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীকে রাজনৈতিক মনোনয়নের বিধান সংযোজন করে ২০১৫ সালে আইনটি সংশোধন করে। যাতে স্থানীয় সরকারের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ চরিত্র খর্ব করা হয়েছে।

    নোটিশে বলা হয়, বাহাত্তরের সংবিধানের ১১, ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদেও স্থানীয় সরকারকে অরাজনৈতিক রাখা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীরা রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে গত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে, যেখানে শত শত মানুষ সহিংসতায় নিহত ও আহত হয়েছে। যার মাধ্যমে ‍প্রমাণ হয় আমাদের সমাজে এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর নয়।

     

    নিজস্ব প্রতিনিধি/ল'ইয়ার্সক্লাববাংলাদেশ.কম

     
    ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বাংলাদেশ সময় ১৭:১৪