ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে নাম উঠল গ্লোবাল ল থিংকার্স সোসাইটির

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই, ২০২০ ১২:২৭ অপরাহ্ণ

করোনা মহামারি মোকাবেলা করে ভবিষ্যত স্বপ্ন জয়ের প্রত্যাশায় আন্তর্জাতিক অনলাইন যুব সম্মেলন আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে গ্লোবাল ল থিংকার্স সোসাইটি। সম্প্রতি ‘ভার্চ্যুয়াল ইয়ুথ সামিট এন্ড লিডারশীপ এওয়ার্ড ২০২০: ফাইট করোনা উইন ফিউচার’ শীর্ষক যুব সম্মেলন আয়োজন করে সংগঠনটি। সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি বিশ্বের ১০০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এসব তথ্য জানান গ্লোবাল ল থিংকার্স সোসাইটির প্রেসিডেন্ট রাওমান স্মিতা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানুল আলম, জেনারেল সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট খালেদ মাসুদ মজুমদার, জয়েন্ট সেক্রেটারী মো: সোলায়মান আহমেদ জীসান, অর্গানাইজিং সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে রাওমান স্মিতা বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মত আয়োজিত এ ধরনের আন্তর্জাতিক ভার্চ্যুয়াল যুব সম্মেলনে বিশ্বের ১০০টি দেশ ও স্বাগতিক বাংলাদেশের ৬৪ জেলার যুব প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। দুইদিনের ২৪ ঘন্টার ম্যারাথন প্রোগ্রামে ৪ হাজার ৫০৭ জন অনলাইন রেজিষ্টার্ড অংশগ্রহন করেন। যার মধ্যে বিভিন্ন দেশের ৫৫ আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন ও স্বনামধন্য বক্তা বক্তব্য রাখেন। যেখানে ১০ জন বিচারকের মাধ্যমে ২২ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুলাই সকালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান সম্মেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ১৮ জুলাই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সকালের অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন, মালয়েশিয়ার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওয়ান আহমেদ ফয়সাল। রাত ৮ টায় মালয়েশিয়ার সেলানগর স্টেট অ্যাসেম্বলি রিপ্রেজেন্ট এবং সেলানগর এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল মেম্বর গনবতিরাও ভেরামান অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষনা করেন। সম্মেলন পরবর্তী কার্যক্রম হিসাবে সংগঠনের ১০ বছর পূর্তিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১০০ দেশের প্রতিনিধিরা একসাথে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মৃতিচারণ করা হবে।

স্মিতা বলেন, সুস্বাস্থ্য ও মানসিক সমৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন ও মানবাধিকার, শিক্ষা ও অর্থনীতি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ভার্চুয়াল ইয়ূথ সামিট। করোনার বিরুদ্ধে ভবিষ্যত স্বপ্ন জয়ের অনুপ্রেরনা তৈরীর প্রত্যাশাই ছিলো এই কার্যক্রমে মূল লক্ষ্য।

অ্যাডভোকেট খালেদ মাসুদ বলেন, বিশ্বের তরুণদের সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে জয়ের জন্য এগিয়ে আসতে হবে। এই করোনা ভাইরাস থেকে জয়ের জন্য তরুণদেরকেই সাহসী ভূমিকা পালন করতে হবে।