জাবি শিক্ষার্থী জুবায়ের হত্যায় হাইকোর্টের রায় ২৩ জানুয়ারি

প্রতিবেদক : ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ
প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১:১১ অপরাহ্ণ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জুবায়ের আহমেদ হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের উপর হাইকোর্টের শুনানি শেষ হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি শেষে ২৩ জানুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী রানা কাউসার।

চলতি বছরের ২ জানুয়ারি হাইকোর্টে এ মামলার শুনানি শুরু হয়।

এর আগে, মামলায় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্র খন্দকার আশিকুল ইসলাম আশিক, খান মো. রইছ ওরফে সোহান, জাহিদ হাসান, দর্শন বিভাগের মো. রাশেদুল ইসলাম রাজু এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের মাহবুব আকরাম।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- প্রাণিবিদ্যা বিভাগের কামরুজ্জামান সোহাগ, ইশতিয়াক মেহবুব অরূপ (পলাতক), প্রাণরসায়ন ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের নাজমুস সাকিব তপু, পরিসংখ্যান বিভাগের মাজহারুল ইসলাম, শফিউল আলম সেতু ও অভিনন্দন কুণ্ডু অভি।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির মধ্যে রাশেদুল ইসলাম রাজু ছাড়া বাকিরা পলাতক। অপরদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির মধ্যে শুধু অরূপ পলাতক রয়েছেন।

২০১২ সালের ৮ জানুয়ারি ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদকে কুপিয়ে জখম করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরের দিন ভোরে জুবায়ের মারা যান। জুবায়েরের বাড়ি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মদিনাবাগ নাবলাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম তোফায়েল আহমেদ, মায়ের নাম হাসিনা আহমেদ।

এ ঘটনায় ৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার হামিদুর রহমান বাদী হয়ে খন্দকার আশিকুল ইসলাম আশিক, রাশেদুল ইসলাম ও খান মো. রইসের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন।

সুপ্রিমকোর্ট প্রতিনিধি/ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডটকম