চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের নিরঙ্কুশ বিজয়

প্রতিবেদক : ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ
প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত কর আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে জয়ী হয়েছে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মাত্র একটি পদে জয়ী হয়েছে। আর একটি সম্পাদকীয় পদসহ চারটি পদে জয় পেয়েছে সম্মিলিত আইনজীবী সংসদ।

সভাপতি পদে বিএনপি সমর্থিত ঐক্য পরিষদের প্রার্থী এডভোকেট মোস্তফা কামাল মনসুর ৫৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৫৩৮ ভোট। আওয়ামী লীগ সমর্থিত সমন্বয় পরিষদের এডভোকেট আবদুল বারী পেয়েছেন ৩৮৬ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের প্রার্থী এডভোকেট মো. ওমর ফারুক ৭৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী সমন্বয় পরিষদের নুরুল আনোয়ার পেয়েছেন ৫৬৮ভোট। সম্মিলিত পরিষদের নাজমুল হক সিকদার পেয়েছেন ১৭৩ ভোট।
একমাত্র সহ-সভাপতি পদে ৫৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সমন্বয় পরিষদের মো. আনিসুর রহমান।নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ঐক্য পরিষদের কাজী লুৎফুল হায়দার পেয়েছেন ৫৩৫ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ঐক্য পরিষদের এডভোকেট মো. ইমাম উদ্দিন বিজয়ী হয়েছেন ৭২৬ ভোট পেয়ে। অর্থ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন ঐক্য পরিষদের বাকা উল্লাহ চৌধুরী ইরান, তিনি পেয়েছেন ৬৩১ ভোট। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত পরিষদের আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী।পাঠাগার সম্পাদক পদে বিজয়ী ঐক্য পরিষদের মো. আলমগীরের প্রাপ্ত ভোট ৮৯০। সমাজ কল্যান সম্পাদক পদে বিজয়ী ঐক্য পরিষদের এডভোকেট মো. সাইফুর রহমান পেয়েছেন ৯৫৫ভোট। তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন।

এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন সম্মিলিত পরিষদের বিপ্লব সারথি মজুমদার জুয়েল, ফিরোজা জেসমিন ও ফজিয়া খানম।ঐক্য পরিষদ থেকে নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- আলী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরওয়ার আলম ভুইয়া শিমুল, চৌধুরী খালিদ বিন সরোয়ার ও সঞ্জয় আচার্য্য।

প্রসঙ্গত, এবারের ভোটার সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬ জন। নির্বাচনে ৩টি প্যানেলে প্রার্থী ছিলেন ৪২ জন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল ৩টি হচ্ছে কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ, কর আইনজীবী ঐক্য পরিষদ ও সম্মিলিত পরিষদ। মঙ্গলবার (৩০ শে জানুয়ারি ২০১৭) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে ভোট গননা শুরু হয়। গভীর রাতে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

রায়হান ওয়াজেদ/চট্টগ্রাম প্রতিনিধি