বিচারকের স্বাক্ষর জাল: দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন পেছাল
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, ঢাকা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ফুল নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার ৪ জন কারাগারে

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ফুল নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সাড়ে পাঁচ মাস আগের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশের আবেদনের শুনানি শেষে শনিবার (৭ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মো. ছিদ্দিক আজাদ এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন—সোহেল মিজি (৪৮), মোছা. রুনা বেগম (৫০), জনতা বেগম (৬৫) ও আকছারী খানম উর্মি (১৮)।

আদালত সূত্র জানায়, শনিবার বিকেলে ওই চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু শরীফ তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, মামলার প্রাথমিক তদন্তে এই সন্দিগ্ধ আসামিদের জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ৭ মার্চ ভোর সাড়ে চারটার দিকে স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় জড়িত মূল হোতা ও অন্যান্য আসামির নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাঁদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এ জন্য আসামিদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন প্রক্রিয়াধীন। তাই মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তদন্তকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর কলাবাগান থানার এসআই মো. গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেছিলেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা দুইটার দিকে পান্থপথ এলাকায় এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জন বিক্ষোভ মিছিল করেন। তাঁরা নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে ওই মিছিলে তাঁরা অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজনকে আটক করা হয়।

সূত্র : প্রথম আলো