ন্যায্য প্রতিযোগিতা, স্পেকট্রাম ইকুইটি এবং জাতীয় ডিজিটাল অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত না করে ৭০০ মেগাহার্টজ রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম, যা ‘গোল্ডেন স্পেকট্রাম’ নামে পরিচিত, নিলামের উদ্যোগকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটে রুল জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি প্রাথমিক শুনানি শেষে চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে নির্দেশ দেন।
রিটকারীর পক্ষে আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।
রিট আবেদনটি দায়ের করেন রাইসা মৃধা সামান্তা। এতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।
রিটে ২৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জারি করা স্মারক নম্বর ১৪.৩২.০০০০.৫০১.৩২.০০৭.২৪.১৩৪-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। ওই স্মারকের মাধ্যমে ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম নিলামের আহ্বান জানানো হয়।
আবেদনে বলা হয়, উক্ত নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা হয়নি, স্পেকট্রামের সমতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং এর মাধ্যমে জাতীয় ডিজিটাল অবকাঠামো ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এছাড়া রিটে আবেদনকারীর ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে করা একটি আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ারও আবেদন জানানো হয়।
হাইকোর্ট রুলে জানতে চেয়েছেন, কেন উক্ত স্মারকটি আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও সংবিধানপরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না এবং কেন তা বাতিল করা হবে না।
রুলটি চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তিযোগ্য (রিটার্নেবল) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন (sub judice) থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ নির্ধারিত স্পেকট্রাম নিলাম সংক্রান্ত কোনো উদ্যোগ না নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এই প্রত্যয়নপত্রটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত ৪৪ ডিএলআর (এডি) ২১৯ অনুসারে জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

