বরিশালে মিথ্যা প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করায় বাদীকে এক মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়ত উল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত বাদী বাদশা মিয়াকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী মোসা রীনা বরিশাল জেলার এয়ারপোর্ট থানার রামপট্টি গ্রামের হারুন প্যাদারের স্ত্রী।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ রাজীব মজুমদার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৫ আগস্ট প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন বাদী। তবে তদন্ত শেষে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাদী আসামিদের ফাঁসাতে ও হয়রানি করতে বানোয়াট ঘটনা সাজিয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার শুনানিকালে সাক্ষীদের বক্তব্য এবং তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে আদালত মত দেন যে, মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।
শুনানিকালে বাদী আদালতে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন এবং একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করেন। এ প্রেক্ষিতে আদালত বাদী মোসা রীনাকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

