কক্সবাজারের ডিসিকে হাইকোর্টে তলব
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: জয়দীপ্তা দেব চৌধুরী

চট্টগ্রামে দুটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থানান্তরের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

সাতকানিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও লোহাগাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তর করে আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা গেজেট কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। সংশ্লিষ্টদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।

এর আগে সাতকানিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও লোহাগাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এ রিটটি দায়ের করেন।

রিটে বলা হয়, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠিত হওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কোনো বিচারিক আদালত স্থানান্তরের ক্ষমতা আর অবশিষ্ট নেই। সে প্রেক্ষাপটে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থানান্তর করে আইন মন্ত্রণালয়ের জারি করা গেজেট আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত।

উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তর করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৪ এর সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ আশেকুর রহমানের স্বাক্ষরে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট আইন ও ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ওই দুই আদালত চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে সাতকানিয়া উপজেলা সদরে স্থানান্তর করেছে এবং প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে একই কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনেও আদালত দুটি স্থানান্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।