যত্রতত্র গাড়ি রাখা বন্ধে আসছে পার্কিং নীতিমালা

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ১:১০ অপরাহ্ণ

প্রথমবারের মতো পার্কিং নীতিমালা করছে সরকার। এজন্য নীতিমালার একটি খসড়া করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে পার্কিং ব্যবস্থাপনা করা যাবে। রাখা হচ্ছে রাস্তার ওপর (অন-স্ট্রিট) পার্কিং ব্যবস্থা। নির্ধারিত স্থান ছাড়া গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে। পার্কিং ফি শহরের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বভেদে ভিন্ন ভিন্ন হবে।

এছাড়া পার্কিং ব্যবস্থাপনায় অত্যাধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণের জন্য জন্য ‘পার্কিং এনফোর্সমেন্ট সেল’ গঠনের কথাও বলা হয়েছে খসড়া নীতিমালায়।

ডিটিসিএ’র এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জানান, ঢাকা মহানগরীতে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার পাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের প্রবণতাও উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য যানবাহন চলাচলের জন্য ব্যবহারযোগ্য সড়কের আয়তন দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিটিসিএ আওতাধীন এলাকার পার্কিং ব্যবস্থাপনাসহ যানবাহনের পার্কিং ফি আদায়ের পদ্ধতি স্বচ্ছ, আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে একটি সময়োপযোগী নীতিমালা আবশ্যক। এ প্রেক্ষাপটে যানজট নিরসনে পার্কিং ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, পার্কিং পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগীকরণ, সমন্বিত বাস্তবায়ন এবং পার্কিং ফি আদায়ের মাধ্যমে সড়কের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফেরাতে নীতিমালা করা হচ্ছে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার রাকিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পার্কিং নীতিমালার খসড়া করার পর আমরা এখন সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিচ্ছি। মতামত সমন্বয় করে আমরা একটি চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। এরপর এটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো নীতিমালাটি হচ্ছে। এক সময় ঢাকায় তেমন গাড়ি ছিল না। তখন হয়তো নীতিমালার প্রয়োজন ছিল না। এখন ঢাকায় অসংখ্য গাড়ি। গাড়ি রাখার জন্য যানজট হচ্ছে। গাড়ি কোথায় রাখা হবে, কীভাবে ম্যানেজ করা হবে- সবকিছু পার্কিং পলিসির আওতায় হবে।’

নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ‘মেট্রোরেল আসবে, বিআরটি আসবে; মানুষ গাড়ি নিয়ে বের হলে তিনি কোথায় পার্কিং পাবেন, না পাবেন- এসব বিষয়ই নীতিমালায় থাকবে।’

‘পার্কিং ব্যবস্থাপনা করবে সিটি করপোরেশন, ডিএমপি- তাদের তো একটা গাইডলাইন দিতে হবে। আমাদের প্রণীত নীতিমালার আলোকে পার্কিং ব্যবস্থা হবে বিজ্ঞানসম্মত, আধুনিক- সব ধারণাই সেখানে থাকবে’ বলেন রাকিবুর রহমান।

পার্কিং সুবিধাদির সংস্থান
খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, পার্কিংয়ের চাহিদা জোগানের চেয়ে কম থাকা এলাকায় পার্কিংয়ের জন্য স্থান চিহ্নিত করে পার্কিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এ ধরনের পার্কিংয়ের জন্য স্থানীয় সড়ক বা শাখা সড়ক ব্যবহার করা যেতে পারে। যেসব এলাকায় পার্কিং চাহিদা জোগানের চেয়ে বেশি থাকবে, সেসব স্থানে সময়াবদ্ধ পার্কিং ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

রাজউক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অধিভুক্ত এলাকার জন্য জরিপের মাধ্যমে পার্কিংয়ের চাহিদা নিরূপণ করে চাহিদা অনুযায়ী পার্কিংয়ের স্থানগুলো চিহ্নিত করে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণ এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিপণিবিতান, হাসপাতাল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কারখানা, প্রশাসনিক এলাকা, রেল স্টেশন, টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, এয়ারপোর্ট, পার্ক, স্টেডিয়াম, পিকনিক স্পট ইত্যাদি স্থানে পার্কিংয়ের জন্য বিল্ডিং কোড, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে। পার্কিং লট নির্মাণে সমতল, মাল্টিস্টোরেড ও আন্ডার গ্রাউন্ড- এ তিন প্রকারের ব্যবস্থা বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে।

আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিপণিবিতান, হাসপাতাল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কারখানা, প্রশাসনিক এলাকা, রেল স্টেশন, টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, এয়ারপোর্ট ইত্যাদি স্থানের জন্য নির্ধারিত পার্কিং স্থানে অতিথি, দর্শনার্থী, ক্রেতা ও সাক্ষাৎকারীদের জন্য স্বল্প সময় পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

বাণিজ্যিক পরিবহন যেমন- বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ওয়াটার ট্যাঙ্কার, লরি ইত্যাদি যানবাহনের জন্য রাত্রিকালীন কেবলমাত্র স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সড়কে পার্কিং ফি দিয়ে পার্কিংয়ের অনুমতি দেয়া যেতে পারে। নির্ধারিত কোনো এলাকা বা অঞ্চলে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহন, সাইকেল, রিকশা, ভ্যান ইত্যাদি পার্কিংয়ের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের চিহ্নিত স্থানে পার্কিং করা যাবে।

জনবহুল, ঘনবসতিপূর্ণ, বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক ব্যস্ত এলাকাগুলোতে যেখানে পার্কিংয়ের চাহিদা বেশি, সেসব স্থানের জন্য মাল্টি-লেভেল পার্কিং লটের সুবিধা বিবেচনা করা যেতে পারে।

পার্কিং চিহ্নিত রাস্তার ওপরই যানবাহন পার্কিং করা যাবে এবং যেসব রাস্তার ওপর পার্কিং চিহ্নিত করা থাকবে না সেসব রাস্তার ওপর পার্কিং করা যাবে না।

গণপরিবহনের বিভিন্ন স্টেশনে এবং বাস রুটের বিভিন্ন স্টপে প্যারা-ট্রানজিট টার্নিং এবং সাময়িক অবস্থানের জন্য সুবিধাজনক ও সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দিতে হবে। বাস-ট্রাক টার্মিনাল, সিটি বাস ডিপো নির্মাণের জন্য সুবিধাজনক স্থান চিহ্নিত করতে হবে। এসব টার্মিনাল ও ডিপো সমতল, বহুতল ও ভূগর্ভস্থ- তিন প্রকারের ব্যবস্থাই বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে। এসব স্থানে ট্যাক্সি, সিএনজিসহ অন্যান্য পরিবহনের স্বল্প সময় পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

এয়ারপোর্ট, রেলওয়ে স্টেশন, মেট্রো স্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল ইত্যাদি স্থানে ‘পার্ক অ্যান্ড রাইড’ সুবিধার ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। কমিউনিটি সেন্টার, পার্ক, খেলাধুলার স্থান, স্টেডিয়াম, পিকনিক স্পট ইত্যাদি স্থানে ছুটির দিনে প্রশস্ত রাস্তার উভয়দিকে ন্যূনতম পার্কিং ফি নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষের অনুমতি-সাপেক্ষে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ পার্কিং সুবিধাদির ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি কাজের সমন্বয় ও পরিবীক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, পুলিশ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং পরিবহন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশের মাধ্যমে ‘অন-স্ট্রিট পার্কিং’ ব্যবস্থা নির্ধারণ হবে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পার্কিং সুবিধাদির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পার্কিং সুবিধাদি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে। পার্কিং-সংশ্লিষ্ট কাজে ইজারাদার, ঠিকাদার ইত্যাদি নির্বাচনে মানসম্পন্ন ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে। তাদের অব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতার কারণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

জনবহুল, ঘনবসতিপূর্ণ, বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক ব্যস্ত এলাকার প্লটে/স্থানে ভূমিমালিক নিজেরাই পার্কিং লট নির্মাণ করতে পারবেন এবং সেটি পরিচালনায় তাদের অনুমতি দেয়া যেতে পারে।

রাস্তায় অবৈধ পার্কিং বন্ধের জন্য ট্রাফিক পুলিশ অননুমোদিত পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। পার্কিং নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পার্কিং এনফোর্সমেন্ট সেল গঠন করা যেতে পারে। গণপরিবহনের নিবন্ধনের অনুমতি দেয়ার আগেই পার্কিংয়ের স্থান যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

পার্কিং ফি নির্ধারণ
পার্কিং ফি নির্ধারণের জন্য পার্কিংয়ের স্থান, সময়, গাড়ির ধরন, নিরাপত্তা, সুবিধাদি, পরিষেবা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। পার্কিং ফি নির্ধারণে একক কোনো কৌশল গ্রহণ করা হবে না। পার্কিং ফি শহরের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বভেদে ভিন্ন ভিন্ন হবে। পার্কিং সময়কালের উচ্চ টার্নওভারের লক্ষ্যে স্বল্পমেয়াদি পার্কিং ব্যবস্থা উৎসাহিত করতে হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পিক পিরিয়ড, অফ পিক পিরিয়ড, কর্মদিবস, ছুটির দিন ইত্যাদির জন্য ভিন্ন ভিন্ন পার্কিং ফি নির্ধারণ করবে। রাত্রিকালীন পার্কিং ফি ডিসকাউন্ট হারে নির্ধারণ করতে হবে এবং ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় নিতে হবে।

রাস্তার ওপর পার্কিং ফি অফ-স্ট্রিট পার্কিং থেকে বেশি হবে এবং প্রিপেইড স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে পার্কিং ফি পরিশোধে উৎসাহ দিতে হবে। রাস্তার ওপর পার্কিংয়ের জন্য প্রতি আধাঘণ্টা স্লটের জন্য ফি নির্ধারণ করা যেতে পারে। রাস্তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি পার্কিং ব্যবহারকারীদের জন্য বেশিহারে ফি নির্ধারণ করা যেতে পারে। এ ফি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।

বহুতল পার্কিং সুবিধাদির চারপাশের ৫০০ মিটার (পাঁচ মিনিটের হাঁটাপথ) অঞ্চলের সব রাস্তা ‘নো অন-স্ট্রিট পার্কিং’ অঞ্চল হিসাবে নির্ধারণ করা যেতে পারে। ৫০০ মিটার অঞ্চলের মধ্যে রাস্তার ওপর পার্কিং করতে গেলে পার্কিং ফি বহুতল পার্কিং ফি-এর ন্যূনতম দ্বিগুণ নির্ধারণ করা যেতে পারে। যাতে বহুতল পার্কিং সুবিধাদি ব্যবহারে চাহিদা থাকে।

পার্কিং ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার
পার্কিং চাহিদা নিরূপণ, পার্কিং-সংক্রান্ত নিয়ম অমান্যকারী চিহ্নিতকরণ, ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ, ফি আদায় ইত্যাদি সহজতর করার লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, পার্কিং ব্যবস্থাপনায় স্বয়ংক্রিয় ‘পার্কিং চার্জেজ ব্যারিয়ার’ স্থাপন করা যেতে পারে এবং আরএফআইডি (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন) ট্যাগের প্রচলন করা যেতে পারে।

পার্কিং ফি, ইজারা ফি, জরিমানা ইত্যাদি আদায়ের পদ্ধতি বিশ্বমানে উন্নীত করার জন্য বিশ্বের অন্যান্য উন্নত শহরের মতো অন-স্ট্রিট ও অফ-স্ট্রিট পার্কিংয়ের ফি আদায়ে মাইক্রোচিপ ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি ব্যহার করা যেতে পারে। স্মার্ট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, ফোন সিস্টেম ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে পার্কিং ফি দেয়ার ব্যবস্থা চালু করে পার্কিং ফি আদায় পদ্ধতি উন্নত ও সহজ করে তুলতে হবে।

বাণিজ্যিক এলাকা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক এলাকা, বিপণিবিতান, রেল স্টেশন, টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, এয়ারপোর্ট, পার্ক, স্টেডিয়াম, পিকনিক স্পট ইত্যাদি স্থানে অনলাইনের মাধ্যমে পার্কিংয়ের জন্য জায়গা সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পার্কিংয়ের স্থান, ধারণক্ষমতা, সুবিধাদি, পার্কিং ফি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পরিচালনা ইত্যাদি বিষয়-সম্বলিত হালনাগাদ তথ্যাদি দিয়ে অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে।

রাস্তা ও ফুটপাতের ওপর অননুমোদিত পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। অবৈধভাবে পার্কিং করা যানবাহনের স্থিরচিত্র বা ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। সূত্র- জাগো নিউজ