শিশুদের অবৈধ সাজা, সারোয়ার আলমের ফেসবুক পোস্ট, মোবাইল কোর্ট এবং পাবলিক কনফিডেন্স

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ, ২০২০ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
আইন ও আদালত

সুসময় ঘোষ:

শিশুদের সাজা দেওয়ার কারনে ঐ সাজাকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট করেন আইনজীবী আব্দুল হালিম ও  ঈশরাত হাসান। হাইকোর্ট উক্ত রিট শুনানি শেষে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দেওয়া শিশুদের সাজা অবৈধ ঘোষণা করেন এবং তাকে এই কাজে অযোগ্য (incompetent) ঘোষণা করেন। প্রচলিত আইনে শিশুদের সাজা একমাত্র শিশু আদালতে  হবে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উক্ত সাজা দেওয়া অন্যায়, অবৈধ। যেদিন হাইকোর্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শিশুদের সাজা দেওয়া অবৈধ ঘোষণা করলেন সেদিনই সারওয়ার আলম বিকালে তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন – ‘দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করা কি ক্ষমতার অপব্যবহার।’  তার এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবো বাকি লেখায়।

সারওয়ার আলম র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। র‍্যাব পুলিশের একটি বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাখতে পারেন কিনা, নাকি জেলা প্রশাসন থেকে উক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সাথে র‍্যাব বাহিনী চাওয়ায় কারনে এই নামকরণ তা আমার কাছে পরিস্কার নয় ; এমন কোন প্রজ্ঞাপন থাকলে- জানালে কৃতার্থ হব। সারওয়ার আলম এর মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ভেজাল খাদ্য দ্রব্য, ভেজাল ওষুধ, ভেজাল প্রসাধনী এবং ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। প্রশ্ন হচ্ছে এই সব অভিযান কী তিনি নিজে ঠিক করেন? নাকি উনাকে যা নির্দেশ দেওয়া হয় তিনি তাই করেন। এটিও কেউ জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

এবার আলোচনা করা যাক – তার বিরুদ্ধে কী কারনে রিট ফাইল হয়। কারন হল– শিশুদের অবৈধ ভাবে শাস্তি দেওয়া। রিটটি করেছে চিলড্রেন চ্যারিটি ফাউন্ডেশন। নাম শুনেই বুঝে গেছেন তারা শুধু শিশু বিষয়ক বিষয় নিয়ে কাজ করেন। সারওয়ার আলমের বাকি কাজ, বাকি অপারেশন, ভেজাল বিরোধী অভিযান নিয়ে কিছুই এই রিটে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। কিন্তু যখন হাইকোর্ট শিশুদের বিষয়ে তার দেওয়া দণ্ড কে অবৈধ বললেন – তিনি সেটি স্বীকার না করে বরং তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেটি ভাইরাল হয়। এমন স্ট্যাটাস তিনি দিতে পারেন কিনা সেটা অন্য বিষয় – কিন্তু উক্ত স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি কি বুঝাতে চাইলেন? তিনি বুঝাতে চেয়েছেন  তিনি দেশ ও মাটির জন্য কাজ করেন। মানে জনগণের জন্য  কাজ করেন। ভাল কথা। তিনি বুঝতে চেয়েছেন– তিনি যে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালোনা  করেন তা নিয়ে রিট করা হয়েছে এবং এবং হাই কোর্ট তাকে অযোগ্য বলেছে। মূলত বিষয়টি টা নয়। তিনি একটি সুন্দর চতুরতা করলেন মানুষের আবেগ নিয়ে। তিনি এর মাধ্যমে মানুষকে ক্ষেপীয়ে তুললেন। পুরা ফোকাসটাই তার ভেজাল বিরোধী অভিজানের উপর নিয়ে গেলেন। এবং মানুষকে বুঝালেন – হে জনগন দেখুন আমি ভেজাল বিরোধী  অভিযান পরিচালনা করি, অভিযানের সময় স্ত্রীর ফোন ও রিসিভ করিনা আর আজকে হাই কোর্ট কতিপয় উকিলদের কথা শুনে আমাকে অযোগ্য বলে। আমাকে বলে আমি নাকি ক্ষমতার অপব্যবহার করি!

এই স্ট্যাটাস দিয়ে হুজুগে জনগন দেরকে আকৃষ্ট করেন। শিক্ষিত আইন জানা জনগন ঠিকই জানে – তিনি খুব সুন্দর করে তার দোষটি ঢেকে দিয়েছেন।  তিনি ৩২ মিনিটে ২৩ টি শিশুকে মোবাইল কোর্টে শাস্তি দেন। যাদের মধ্যে ১২ জনের বয়স ৯-১১ এর মধ্যে। অনেকে ৬ মাসের সাজা পেয়েছে। একটু ভেবে দেখুন একটি সভ্য দেশে আপনার একটি ভাই, ছেলে বা পাড়ার শিশুকে ৬ মাসের জন্য কারাদণ্ড দিল মোবাইল কোর্ট। যা কোন বিচারিক আদালতও পারেনা।  দেশে একটি শিশু আইন আছে। এটি একটি বিশেষ আইন। শিশুদের বিচার শুধু শিশু আদালতে হবে। মোবাইল কোর্ট করে এদের শাস্তি দেবার কোন এখতিয়ার সারওয়ার আলমের ছিলনা। কিন্তু তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, র‍্যাব পুলিশ এর ভয় দেখিয়ে ভুয়া স্বীকারোক্তি নিয়ে এদের শাস্তি দেন । তিনি এভাবে ১২১ টি শিশুকে শাস্তি দেন। কারাদণ্ড দেন। শিশুদের কারাদণ্ড দেওয়ারও বিধান নেই। পাঠাতে হবে কারেকশন সেন্টারে। তাও যথাযথ আদালতের আদেশে। তার এই ‘কাজ’  কী দেশের জন্য কাজ? এই কাজ কী জনগনের জন্য কাজ? এটি  কী ক্ষমতার অপব্যবহার নয়? তিনি এসব বিষয় পাশ কেটে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক না হয়ে উল্টো ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এটি ধৃষ্টতা! ঐ স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্ট গুলো তে ঐ আইনজীবীগণ এবং হাইকোর্টকে সমানে গালি দেওয়া হচ্ছে। তিনি বসে বসে উপভোগ করছেন। তিনি যখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মোবাইল কোর্ট করেন সেহেতু তিনি একজন বিচারক। একজন বিচারকের এমন পাবলিক প্রোফাইল  থাকা কতটুক আইনসংগত?

বিচার বিভাগ চলে পাবলিক কনফিডেন্স এর উপরে। তিনি যে স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে জনগণকে ভুল ম্যাসেজ দিয়ে উক্ত আইনজীবীগণ ও হাই কোর্টের উপর মানুষজনকে ক্ষেপীয়ে তুললেন এর দায়  তিনি এড়াতে পারেন না। তার বিরুদ্ধে শিশুদেরকে সাজা দেওয়ার ক্ষমতা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে রিট করা  হল – হাই কোর্ট কী তাকে ডেকে এনে ৬ মাসের জেল দিয়ে দিয়েছে বা তার বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে? তিনি কিন্তু দেশের  সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তাকে (এটর্নি জেনারেল) নিয়ে নিজেকে  ডিফেন্ড করেছেন। আত্ম পক্ষ সমর্থন করেছেন। কিন্তু যে শিশুদের তিনি শাস্তি দিলেন তাদেরকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেন নি। তাদের পক্ষে কোন উকিলকে দাড়াতে দেন নি। তিনি নিজেই অভিযোগ আনয়নকারী আবার নিজেই শাস্তি দাতা। অনেকটা -‘আমি হব উকিল হাকিম আমি হব জুরি’ এর মত অবস্থা। এটি মানুষ মাত্রই বলবে –  অন্যায়। এটি প্রাচীন কালে হত। রাজার হুকুম এই শাস্তি হত। এখন গণতন্ত্রের  সময়। শুধু শিশু নয় –যে সমস্ত মোবাইল কোর্ট পরিচলনা করা হয় সব খানেই একই চিত্র। র‍্যাব পুলিশ বেষ্টিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  অভিযোগ আনয়ন করেন এবং স্বেচ্ছায় স্বীকার-অস্বীকার এর তোয়াক্কা না করেই  লাখ টাকা শাস্তি দিয়ে দেওয়া হয়। আমরা মোবাইল কোর্টের এই অপারেশন গুলোকে আম জনতা হিসেবে বাহবা দেই। কিন্তু কখনো কি তাদের গল্প শুনেছি যাদেরকে মোবাইল কোর্টে শাস্তি দেওয়া হয়েছে? তাদেরও তো  কিছু বলার ছিল? মোবাইল কোর্টে ঐ ম্যাজিস্ট্রেট যা বলবেন তাই হবে। সেখানে আপনার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়না। কোন উকিল থাকবেনা। আর আপনি দোষ করলেও, না করলেও বা যতটুক করেছেন তার চেয়ে বেশি শাস্তি দিলেও আপনার কিছু বলার থাকবেনা। র‍্যাব পুলিশের ভয়ে আপনিও জরিমানার টাকা দিয়ে দেবেন। অনেক সময় আপনি আপীলও করতে পারবেন না সময় মত। কারন অনেক ক্ষেত্রে ৩ মাস পরেও রায়ের আদেশর কপি পাওয়া যায়না। সারওয়ার আলমের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ আছে যে তিনি – শাস্তি দেন কিন্তু আদেশের কপি দেন অনেক পরে। ফলে যাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে তিনি সময় মত আপীল  করতে পারেন নি। এটি সুস্পষ্ট আইনের ব্যত্যয়।

এখানে একটি বিষয় আলোচনা না করলেই নয় । এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম কি আসলেই ভেজাল নিরোধ করছেন নাকি ভেজাল কারীদের সেভ করছেন! একটু আলোচনা করা যাক।

খাদ্য, ওষুধ, প্রসাধনীতে ভেজাল দেওয়ার জন্য, মজুদদার শাস্তি দেওয়ার জন্য জাতির জনক সেই ১৯৭৪ সালেই আইন প্রণয়ন করেন (ধারা ২৫ গ)। তিনি সেখানে এসব ভেজাল কারীদের জন্য ফায়ারিং স্কোয়াড দাঁড় করিয়ে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড প্রতিপালনের বিধান রাখেন, (ধারা ৩৪ ক)।

কিন্তু সারওয়ার আলম বা এমন তর আরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সেই আইন কে পাশ কাটিয়ে  শুধু মাত্র জরিমানা করে ছেড়ে দেন এসব মজুদদারদের, ভেজাল কারবারিদের। নিরাপদ খাদ্য আইনে ভেজাল খাদ্য বা খাদ্যোপকরণ উৎপাদন, আমদানি, বিপণন, ইত্যাদি, নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদন, ইত্যাদি কে অজামিন যোগ্য এবং আমল যোগ্য অপরাধ বলা হয়েছে। অর্থাৎ ভেজাল খাদ্য বা খাদ্যোপকরণ উৎপাদন, আমদানি, বিপণন, ইত্যাদি, নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদন কারী দের বিরুদ্ধে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে নিয়মিত মামলা হবে তার পর বিচার হবে এবং শাস্তি হবে। কিন্তু মোবাইল কোর্ট সমূহ এই বিধানের কোন তোয়াক্কা না করেই জরিমানা  করে দেন। খুব কম সংখ্যক কারাদণ্ড দেন । আর মোবাইল কোর্টের ২ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেবার বিধান নেই। এখানে একটি বিষয় বলে রাখা ভাল- যদি সরকারের এইসব জরিমানা আদায়ের  মাধ্যমে রাজস্ব বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা থাকে তাহলে সেটি ভিন্ন কথা। কারন কারাদণ্ড দিলে সরকারের কোন লাভ নাই বরং ক্ষতি। কিন্তু জনগনের লাভ হত। এসব অপরাধীরা ভয় পেত।

এমনতর মোবাইল কোর্ট ভুরি ভুরি হচ্ছে-  কেউ কী বুকে হাত দিয়ে  বলতে পারবেন তাতে ভেজাল বন্ধ হয়েছে। যারা ভেজাল করে তাদের কাছে এই কয়েক লক্ষ টাকা কোন বিষয় না। কিন্তু মোবাইল কোর্ট আইনে বলা আছে যে অপরাধ রেগুলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট বা অন্য কোন বিশেষ আদালত দ্বারা বিচার যোগ্য তা ঐ কোর্টে রেফার করতে হবে। এমন কোন নজির আজ অবধি দেখিনি।

আমি হলফ করে বলতে পারি নিয়মিত আদালতে বিশেষ  ক্ষমতা আইনের আওয়তায় যদি অপরাধ প্রমাণিত হত– যদি একজন মজুদদার বা ভেজাল কারবারির ফাঁসি হত বা যাবজ্জীবন হত তাহলে  অনেকেই ভয়ে এসব কারবার করতনা বলে আমার বিশ্বাস।

এত এত হসপিটালে অভিযান হয় আজ পর্যন্ত শুনেছেন – অভিযান এর পরে দাম কমে গেছে- সব সিস্টেমে এসে গেছে? না হয়নি। এর অর্থ এই দাঁড়ায়- মোবাইল কোর্ট ভেজাল রোগের সাময়িক নাপার কাজ করলেও ঐ রোগ থেকে যে ক্যান্সার হয়ে গেছে তা দূরীকরণে কোনভাবেই যথেষ্ট নয়। এটি মশার উৎসস্থল নষ্ট না করে উড়ন্ত মশা মারার মত একটি সিস্টেম হয়ে গেছে।

এবার আবার আগেরা আলোচনায় ফিরে আসি। সারওয়ার আলমকে যে জন্য হাইকোর্ট অযোগ্য বলেছেন- তা তিনি কিছুতেই জনগণকে বলেন নি। তিনি নিজেকে সৎ বলে দাবী করেন। তিনি যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিশুদের শাস্তি দিলেন এবং তার সেই শাস্তি যে হাইকোর্ট বাতিল করল এবং তাকে সতর্ক করল তা কিন্তু তিনি কোথাও বলেন নি। এই যে সত্যতা আড়াল করলেন তা কিন্তু একজন সৎ মানুষের চরিত্রের পর্যায়ে পড়েনা ।

তিনি ভেজাল বিরোধী অপারেশন গুলো আরও করুক। ভেজাল কারীদের নাভিশ্বাস তুলে দিক। মালিকপক্ষকেও জেল দিক। মানুষ সমর্থন দিচ্ছে। এগুলো নিয়ে হাইকোর্টে কেউ রিট করেনি। এগুলো বন্ধ করতে কেউ রিট  করবেনা।  কিন্তু আমরা চাই তিনি আইন জানুক, তাঁর এখতিয়ার জানুক, আইন না জেনে সৎ হলে লাভ নেই। একজন বিচারকের আইন না জানা ভয়াবহ, মারাত্মক অপরাধ। কি ঘটেছে তা মানুষকে বলুক। মানুষকে বলুক যে – তিনি যে ভেজাল বিরোধী  অভিযান করেন তা নিয়ে রিট হয়নি হয়েছে তিনি যে শিশুদের বেআইনিভাবে কারাদণ্ড দিয়েছেন তার জন্য।

মানুষের সত্য জানার হক আছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করা সৎ মানুষের গুণাবলীর মধ্যে পড়েনা। আশা করি একজন মোবাইল কোর্টের বিচারক হিসেবে তিনি পাবলিক প্রোফাইল ব্যবহার করবেন না। তিনি কোন রাজনৈতিক বা ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রির কেউ নন। পাবলিক প্রোফাইলের কমেন্ট সেকশনে হুজুগে জনতার হাইকোর্ট এবং আইনজীবী শ্রেণীর উপর বেহুদা গালমন্দ উপভোগ করবেন না।  মানুষকে জানানোর জন্য মিডিয়া আছে। তাঁর এসব পোস্টে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। তিনিএকই সাথে গণতন্ত্রের ৩ স্তম্ভের (নির্বাহী, বিচার এবং মিডিয়া) কাজ করার দরকার নেই। বিচার বিভাগ জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল আর আইনজীবীগণ সমাজের  সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে এক অদম্য শক্তি। আশা করি তিনি আর এই দুই জায়গার উপর মানুষের বিশ্বাস হারানোর প্ররোচনা দিবেন না। দেশ ও মাটির জন্য আইনের মধ্যে থেকে আরও অনেক কাজ করে যাবেন। তাঁর জন্য শুভ কামনা।

লেখক: লেখক ও গবেষক, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।