১০ হাজার পিপিই জরিমানা: হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ২৯ জুলাই, ২০২০ ১:২৮ অপরাহ্ণ
সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার ও তাঁর ভাই দিপু হক সিকদার

বিধিবহির্ভূতভাবে থাইল্যান্ডে বসে জামিন আবেদন করায় সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে জরিমানা এবং কিছু পর্যবেক্ষণসহ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হয়েছে।

আবেদন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আবেদনটির শুনানির জন্য ৯ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে। আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের চেম্বারজজ আদালত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

এর আগে হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতের সামনে উপস্থিত না হয়েও বিধিবহির্ভূতভাবে থাইল্যান্ডে থেকে জামিন আবেদন করায় সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে জরিমানা এবং কিছু পর্যবেক্ষণসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

জারিমানা হিসাবে দুই সপ্তাহের মধ্যেই জামিন আবেদন করা দুই সহোদরকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ হাজার পিপিই প্রদানের নির্দেশ দেন আদালত। আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২০ জুলাই বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এছাড়া আদালত এ মামলায় প্রভাব খাটিয়ে আসামিদের জামিন আবেদন করাসহ বেশকিছু বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দেন।

পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে গত ২৭ জুলাই আবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে এমডি রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় গত ১৯ মে মামলা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, গত ৭ মে রন ও দিপু এক্সিম ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দি করে রাখে। তাদের গুলি করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়।

ঘটনার পর থেকেই রন হক ও দিপু হক পলাতক। পরে নিজেদের চার্টার্ড বিমানে করে তারা থাইল্যান্ডে পাড়ি জমান। সেখান থেকেই তারা আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।