‘সমৃদ্ধ আইনি কাঠামো রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মূল চাবিকাঠি’

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর, ২০২০ ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
ভিডিও কনফারেন্সে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ফাইল ছবি)

সমৃদ্ধ আইনি কাঠামো যে কোনো রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হিসেবে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার (২৪ অক্টোবর) ‘পাবলিক ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য কনটেক্সট অব কনস্টিটিউশনাল ফ্রেমওয়ার্ক’ শীর্ষক এক সেমিনারে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের মৌলিক চাহিদাসমূহ পূরণ করে সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং সুসংহত আইনি কাঠামো বিনির্মাণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সুরক্ষার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধন করা।

মন্ত্রী বলেন, রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন, ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্র অর্জন, ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশের মর্যাদালাভ এবং সর্বোপরি ডেল্টাপ্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ। শেখ হাসিনার সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে সরকার এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করছে। তার সরকারের উন্নয়নের রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবন মানের উন্নতি ঘটেছে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোড মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। উন্নয়নের সূচক বা মানদণ্ডের অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত ও অনুকরণীয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের আর্থিক শৃঙ্খলা আনা আইনের শাসনের আওতায় পড়ে। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন লেজিসলেটিভ রিসার্চ অ্যান্ড রিফর্ম প্রজেক্ট এই সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেনলেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির। আর স্বাগত বক্তৃতা রাখেন মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন।