ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর–রামু–ঈদগাঁও) আসনের সংসদীয় এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
একই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং কক্সবাজার ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আবদুল কাদের সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই নোটিশ জারি করেন।
কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের জেলা নাজির বেদারুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী ভোট গ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না।
কিন্তু নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান সরেজমিন পরিদর্শনকালে কক্সবাজার-৩ আসনের বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রতীকসংবলিত ব্যানার ও প্রচার সামগ্রী দেখতে পান, যা নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এই অবস্থায় নোটিশ প্রাপ্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব নির্বাচনী প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টি মনোনীত প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া এবং আমজনতার দল মনোনীত প্রার্থী নুরুল আবছার।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রচার সামগ্রী অপসারণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগটি প্রথমবার হওয়ায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এ ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখিয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ রয়েছে।
কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের জেলা নাজির বেদারুল আলম জানান, সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুরের প্রতিনিধিরা নোটিশের কপি গ্রহণ করেছেন।

