খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি তাঁর জনপ্রিয়তার প্রমাণ: অ্যাটর্নি জেনারেল
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণ

খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখো মানুষের উপস্থিতি তাঁর জনপ্রিয়তার প্রমাণ: অ্যাটর্নি জেনারেল

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, ৩১ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের অংশগ্রহণ তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রমাণ বহন করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন একজন নেত্রী।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর-এর জিয়া উদ্যান-এ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

নবনিযুক্ত এই আইন কর্মকর্তা তার নেতৃত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেন।

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “গণতন্ত্র উত্তরণের এ পর্যায়ে তিনি (খালেদা জিয়া) আমাদের মাঝে নেই।”

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান যেন ভবিষ্যতে সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য দোয়া করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকো-র জন্যও দোয়া করা হয়।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের মূল লক্ষ্য।

অ্যাটর্নি জেনারেল অভিযোগ করেন, আগের তিনটি নির্বাচনে দেশের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইনসভা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারলেই গণতন্ত্র সুসংহত হবে। এখন পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।