ঢাকা , ২৮শে মে ২০১৮ ইং , ১৪ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
প্রচ্ছদ » ঐ নূতনের কেতন ওড়ে » ‘একজন আইনজীবী এমপি হলে জনমুখী আইন প্রণয়নে ভুমিকা রাখতে পারে’

‘একজন আইনজীবী এমপি হলে জনমুখী আইন প্রণয়নে ভুমিকা রাখতে পারে’

অ্যাডভোকেট কুমার দেবুল দে

কুমার দেবুল দে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট। চট্টগ্রামের বাশখালির সন্তান। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। পড়াশুনার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আইনাঙ্গনেও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রেখেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সুপ্রিম কোর্ট শাখার সহ আইন সম্পাদক ছিলেন।

আইনজীবীদের সমর্থন ও ভোটের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি কার্যকরী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে এ দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তরুণ এই আইনজীবী নেতা মুখোমুখি হয়েছেন ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডট কম প্রতিনিধির সাথে।

 কুমার দেবুল দে : তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে একমাত্র তরুণরাই, কারন তরুণদের ভাষা শুধু একজন তরুণই বুঝার ক্ষমতা রাখে। একটা দেশের মূল চালিকাশক্তিই হচ্ছে তরুণরা; তারা তাদের শারীরিক সক্ষমতা এবং মেধা দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এটা স্বীকার করতেই হবে একজন বয়স্ক ব্যক্তির চেয়ে সবদিক দিয়ে দেশ ও জাতিকে বেশী সেবা দিতে পারে একজন তরুণ। মূলত একটা দেশের মূল সম্পদ তার যুবশক্তি। সংসদে এই মুহূর্তে যারা তরুণ বা মন্ত্রীপরিষদে যারা অপেক্ষাকৃত তরুণ তাদেরই জয়জয়কার বেশী; এ যেমন জুনায়েদ আহমেদ পলক, শাহরিয়ার আলম, নসরুল হামিদ বিপুসহ আরো অনেকেই এখন অনেক বেশী কাজ করছেন এবং তরুণদের কাছেও তারা জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি। তরুণরা সাধারণত আপ টু ডেট থাকে আবার প্রবীণদের আছে অভিজ্ঞতা; এই দুয়ের সমন্বয় ঘটানোটাই বেশী জরুরী দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে। তরুণদের আইকন একজনের কথা না বললেই নয় সে হল আমাদের প্রিয় নেতা সজীব ওয়াজেদ জয় যিনি আমাদের প্রানপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার সন্তান এবং যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম পথিকৃৎ। আমার মতে সংসদে এবং মন্ত্রীপরিষদ উভয় জায়গাতেই তরুণদের সমান অংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্ব দরকার তাতে তরুণরাও উৎসাহিত হবে এবং এতে দেশের অগ্রযাত্রা বেশী হবে।

কুমার দেবুল দে : সংসদে একজন আইনজীবীর ভুমিকা অনেক। কারণ সংসদের কাজই হল আইন প্রনয়ন করা, আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ না হলে বা আইনের সাথে সংশ্লিষ্ট কেউ না হলে আইন প্রনয়ন করা অনেক কঠিন কিংবা পাসকৃত আইন জনগনের সত্যিকারের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়না। সেই জায়গায় যদি একজন সংসদ সদস্য তরুণ এবং আইনজীবী হয় তবে সে একই সাথে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে আবার একজন আইনজীবী হিসেবে জনমুখী আইন প্রণয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়াও একজন তরুণ আইনজীবী সংসদ সদস্য হলে সে তরুণদের জন্য যুগোপযোগী আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখতে পারে কারণ একজন তরুণই বুঝতে পারে আরেকজন তরুণের হৃদয়ের কথা, তাদের চাহিদা, তাদের সীমাবদ্ধতা, সর্বোপরি তাদের সক্ষমতা।