তীব্র বিরোধিতার মুখে বিল পাস, বিএনপির ওয়াকআউট

প্রতিবেদক : বার্তা কক্ষ
প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
সংসদ অধিবেশন (ফাইল ছবি)

৬১টি সংস্থার তহবিলের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা নেওয়ার জন্য বিল পাস করাতে গিয়ে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের তীব্র বিরোধিতা ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বিএনপি ও জাতীয় পার্টির একাধিক সাংসদ এই আইনকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দিয়ে এটি প্রত্যাহারের দাবি জানান। তাঁরা বলেন, শেয়ারবাজার, ব্যাংক খাত ধ্বংস হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী এখন বিভিন্ন স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের দিকে নজর দিয়েছেন।

অবশ্য বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) শেষ পর্যন্ত কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়েছে। বিল পাসের বিরোধিতা করে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিএনপি। বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সদস্যরা নিজেদের দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাবগুলো প্রত্যাহার করে নেন। সাম্প্রতিক সময়ে সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপনকারী সদস্যদের সবাইকে নিজেদের প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিতে দেখা যায়নি।

এ দিন ‘স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান বিল-২০২০’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বিরোধী সাংসদেরা বিলের আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রীরও সমালোচনা করেন। তাঁকে ‘ব্যবসায়ী অর্থমন্ত্রী’ বলে আখ্যা দেন। জবাবে অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি বিশ্বের এক নম্বর অর্থমন্ত্রী। ব্যক্তিগত পর্যায়ে কথা বলা ঠিক হচ্ছে না।

বিলের ওপর আলোচনায় বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, এভাবে টাকা নিলে ব্যাংকে টাকা থাকবে না। শেয়ারবাজার, ব্যাংক খাতে লুট হয়েছে। এখন চোখ গেছে এসব প্রতিষ্ঠানের দিকে। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী অসাধারণ মেধাবী ছাত্র ছিলেন। সাধারণ অবস্থা থেকে ব্যবসায়ী হয়েছেন। তিনি অর্থনীতি বোঝেন না, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না।

রুমিন বলেন, সমস্যা হলো অর্থমন্ত্রীর সদিচ্ছার অভাব। তিনি এত মেধাবী, কিন্তু শেয়ারবাজার, খেলাপি ঋণ নিয়ে কিছু করেননি। অর্থমন্ত্রী শুধু ধনী সমাজের মন্ত্রী নন। খেটে খাওয়া মানুষের দিকে তাঁর নজর নেই।

জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ সাংসদ ফখরুল ইমাম বলেন, ব্যাংকে মানুষের যে টাকা, সেটাও সরকারের অর্থ। কয়েক দিন পর হয়তো সেটাও নিয়ে নেওয়া হবে। তিনি চিন্তা করছেন, তাঁর ব্যাংকের টাকা বাসায় নিয়ে যাবেন কি না। ফখরুল ইমাম বলেন, অর্থমন্ত্রী শিক্ষিত মানুষ। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তিনি সরকারি দলের উদ্দেশে বলেন, ‘নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ক্ষমতা দেখাবেন না। পৃথিবীর অনেক ধ্বংস হয়ে গেছে।’

বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ বলেন, এটা একটা কালো আইন। আইন করে সমস্ত টাকা তুলে নেওয়া হবে। এতে ব্যাংকগুলো মারাত্মক বিশৃঙ্খলায় পড়বে। প্রতিষ্ঠানগুলোরও স্পৃহা ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বিলটি প্রত্যাহারের দাবি জানান।

জাপার কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, বিলটি পাস হলে অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে যাবে। ব্যাংকিং খাতের অবস্থা নাজুক। জনগণের স্বার্থে উন্নয়ন করতে চাইলে ভ্যাটে অটোমেশন করা হলো না কেন। রাজস্ব বোর্ড অটোমেশন করতে দিচ্ছে না। তারা কর নিচ্ছে না, ঘুষ নিচ্ছে। কাজী ফিরোজ বলেন, টাকার মালিক জনগণ। পাচার হওয়া টাকা উদ্ধার, টাকা পাচার বন্ধ করা এবং ব্যাংকিং খাতের দিকে নজর দেওয়ার জন্য তিনি অর্থমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন।

বিল পাসের বিরোধিতা করে বিরোধী দলের এই সাংসদ বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এই বিল পাস করলে তা ভবিষ্যতের জন্য ভালো হবে না।

বিলটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক বলেন, অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ী হলে যা হয়, তা-ই হয়েছে। বাজেট করার সময় চিন্তা করেননি, রাজস্ব ঘাটতি সম্পর্কে চিন্তা করেনি যে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি। আগের বছরের চেয়ে ৪৫ ভাগ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করেছিলেন। কিন্তু হয়েছে মাত্র ৭ শতাংশ।

জাপার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এই আইনকে ‘জনবিরোধী, ডিসগাস্টিং আইন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি পাস হলে সংসদের ইতিহাসে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটবে। তিনি বলেন, শিপিং করপোরেশনের টাকা নিতে হলে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমতি নিতে হবে। এটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরা পর্যন্ত আইনটি পাস না করার দাবি জানিয়ে শামীম হায়দার বলেন, স্বাধীন দেশে এ ধরনের আইন হতে পারে না। এটি এতই ন্যক্কারজনক আইন যে সংশোধনযোগ্য নয়। জাপার এই সাংসদ বলেন, ‘একটা আইন অর্থনীতিতে কি লোটাস বা পদ্মফুল এনে দেবে? একটা আইন সিস্টেমকে কলাপস করে দেবে।’

আমিও অনেক কিছু বলতে পারি
বিরোধী দলের সাংসদদের দুই দফা বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, ‘পৃথিবীতে কোথায় কী হচ্ছে জানা দরকার। বাংলাদেশ অন্য দেশের কাছে দৃষ্টান্ত। আপনারা বলছেন, ব্যাংক, শেয়ারবাজার সব খালি করে ফেলেছি। আপনাদের সময় পুঁজিবাজার কী ছিল? আপনাদের সময় ইনডেক্স কী ছিল? এবার সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। অর্থনীতিতে ওঠানামা থাকে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের টাকায় হয়েছে। লাভের সময় ইচ্ছেমতো বোনাস নেবে, বিদেশে ঘুরবে, তা হয় না।

মুজিবুল হক চুন্নুর বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সাইফুর রহমান চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ছিলেন। আমিও তা–ই। আমি সারা বিশ্বের এক নম্বর অর্থমন্ত্রী। পারসোনাল লেবেলে কথা বলবেন, এটা ঠিক নয়। আমিও অনেক কিছু বলতে পারি। সবারই বিষয়েই আমি জানি।’ অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, একমাত্র রপ্তানি–বাণিজ্য নেতিবাচক। এটা ছাড়া একটি খাতেও দেশ পিছিয়ে নেই। বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জেপি মর্গান সবাই মনে করে জিডিপি আট ভাগের কম হবে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ভ্যাট আইন নিয়ে তিনি আশাবাদী ছিলেন। তবে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেননি। কিছুসংখ্যক ভ্যাট মেশিন আনা হয়েছে। রাজস্ব আহরণ শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক থাকবে না।

মুস্তফা কামাল বলেন, পিছিয়ে থাকা মানুষকে মূল স্রোতে নিয়ে আসাই উদ্দেশ্য। এ ধরনের আইন দেশে নতুন নয়। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন দশম সংসদে পাস হয়েছে। সেখানে এ ধরনের কথা বলা হয়েছে। একাদশ সংসদে উদ্ভিদের জাত সংরক্ষণ আইনে একই ধরনের কথা বলা হয়েছে। সরকারের কোষাগারে অর্থ জমা না পড়লে শৃঙ্খলা আসবে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজার আরও ভালো করা উচিত। যে জায়গায় পুঁজিবাজার থাকার কথা, সে জায়গায় নেই। টাকা পাচারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকা পাচারের সংখ্যা কীভাবে নির্দিষ্ট করে বলা হচ্ছে। যাঁরা বলছেন, তাঁরা কি অংশীদার? না হলে হয় অভিযোগ করতে হবে, নয়তো সাক্ষ্য দিতে হবে। তবে অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেন টাকা পাচার হচ্ছে।

ওনার মূল পরিচয় ব্যবসায়ী
অর্থমন্ত্রীকে ব্যবসায়ী বলাতে উষ্মা প্রকাশ করায় জাপার সাংসদ মুজিবুল হক বলেন, ‘আমি একজন অ্যাডভোকেট। এটা বললে কি অপরাধ হবে? উনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। কিন্তু উনার মূল পরিচয় একজন ব্যবসায়ী। এটাতে আহত হওয়ার কারণ নেই।’

মুজিবুল হক বলেন, তিনি প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তাঁকে ‘বেস্ট লেবার মিনিস্টার’ পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন দেওয়া হয়েছিল, তিনি এখনো তা জানেন না।

অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে মুজিবুল হক বলেন, ‘কত দূর ভালো করেছেন উনি চিন্তা করবেন। ব্যাংকের মালিক-ডিরেক্টররা ঋণ নিয়ে বসে আছেন। এটা কী দেশ? টাকা পাচার হয় উনি ব্যবস্থা নেন না। বিভিন্ন সংস্থার টাকা খরচ করছেন। আগামী বছর ট্যাক্স না পেলে কী করবেন?’

ওয়াকআউট
পরে বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ দাঁড়িয়ে বলেন, তাঁরা সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেননি। জনমত যাচাই করতে বলেছেন। কিন্তু তাও করা হয়নি। বিলটি পাস করা হচ্ছে। তাই তাঁরা ওয়াকআউট করছেন। তাঁর বক্তব্যের পর হারুনসহ বিএনপির তিনজন সাংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন।

এই অর্থ জনগণের কল্যাণ সাধনে ব্যবহার করা সমীচীন
পাস হওয়া বিলে বিলে মোট ৬১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা দেওয়া হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, এসব সংস্থা চালাতে যে খরচ হয় এবং নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বছরে যে অর্থ লাগে, তা তাদের নিজস্ব তহবিলে জমা রাখা হবে। এ ছাড়া আপৎকালীন ব্যয় নির্বাহের জন্য পরিচালন ব্যয়ের আরও ২৫ শতাংশ অর্থ এসব সংস্থা সংরক্ষণ করতে পারবে। ওই সংস্থার কর্মীদের পেনশন বা প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থও তারা সংরক্ষণ করবে।

বিলটি উত্থাপনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত/আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ অন্য স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী আয়-ব্যয় ও বছর শেষে তাদের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। ব্যাংকে রক্ষিত হিসাবগুলোর স্থিতি থেকে দেখা যায় যে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমে আছে। সংস্থাগুলোর তহবিলে রক্ষিত উদ্বৃত্ত অর্থের মালিকানা প্রকৃতপক্ষে জনগণের। সে কারণে এই অর্থ জনগণের কল্যাণ সাধনে ব্যবহার করা সমীচীন।

যে ৬১ প্রতিষ্ঠানের টাকা নেওয়া হবে
৬১টি প্রতিষ্ঠান হলো জাতীয় কারিকুলাম এবং টেক্সটবুক বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, ‘ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, দিনাজপুর’ উচ্চমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), পল্লী উন্নয়ন একাডেমি-বগুড়া, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষা ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক), জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি), পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ সেরিকালচার বোর্ড, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি), বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পেট্রোবাংলা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি), বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন করপোরেশন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন, বাংলাদেশ চা বোর্ড, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি), বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), চট্টগ্রাম ওয়াসা, ঢাকা ওয়াসা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন। সূত্র- প্রথম আলো