চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতিসহ ৪ নেতাকর্মী রিমান্ডে

প্রতিবেদক : ল'ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ
প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ৫:৩১ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনসহ চার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দুই মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে ২০ দিনের জন্য রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চট্টগ্রামের এডিশনাল সিএমএম শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া এই আদেশ দেন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া বাকি তিনজন হলেন- নগর বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলমগীর নুর, ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানার বিএনপি নেতা আবদুল হালিম।

সিএমপি’র এসি প্রসিকিউশন নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডটকমকে বলেন, গ্রেফতার ১৯ নেতাকর্মীর মধ্যে ৩ জন মহিলা ছাড়া বাকী ১২ জনকে জেল গেইটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে আদালত।

এর আগে, বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে ডা. শাহাদাতসহ ১৯ নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত থেকে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে করে ডা. শাহাদাত হোসেন কে জেলে নিয়ে যাওয়ার সময়ে প্রচুর সংখ্যক নেতাকর্মী ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকেন। অনেকেই প্রিজন ভ্যানে উঠে জানালা ধরে ঝুলে থাকেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে নাসিমন ভবনের সামনে থেকে ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ১৯ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। গ্রেফতার অপর বিএনপি নেতাকর্মীরা হলেন- নগর মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক আরজু নাহার সায়মা, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুন নাঈম চৌধুরী, নগর মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক আঁখি সুলতানা, নগর বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলমগীর নুর, ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, ডবলমুরিং থানার বিএনপি নেতা আবদুল হালিম, মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিয়া আখতার, নগর মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক মাহফুজা আক্তার, বিএনপি কর্মী ইকবাল হোসেন, সালাউদ্দিন কাদের, সানাউল কাদের, রুমা আকতার, মঈনুদ্দীন, সিফাতুন রাফসাতসহ ১৯ জন।

বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধাদান ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা দুটি করেন এসআই মহিউদ্দিন রতন। দুই মামলায় ৪৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা চারশ’ থেকে সাড়ে চারশ’ জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে করা মামলাটি তদন্ত করছেন কোতোয়ালি থানার এসআই সজল কান্তি দাশ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলাটি তদন্ত করছেন এসআই মৃণাল কান্তি মজুমদার।

মোঃ রায়হান ওয়াজেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি/ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডটকম