অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ পাওয়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল হাসানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে এক বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
সোমবার (৬ এপ্রিল) আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর নিয়োগ বাতিল করে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়। তবে প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ বাতিলের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল গণমাধ্যমকে জানান, আবুল হাসানের বিরুদ্ধে একটি মামলার স্থগিতাদেশ তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারী বিচারপ্রার্থী দাবি করেছেন, মামলার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই অর্থ নেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, গত ৩১ মার্চ বিষয়টি তাঁর নজরে আনা হয়। এর আগে অভিযোগটি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা পড়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি আবুল হাসানের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চান, তবে তাঁর দেওয়া জবাব সন্তোষজনক মনে হয়নি।
উল্লেখ্য, মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২৫ মার্চ নিয়োগ পান এবং ২৯ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
মো. আবুল হাসানকে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। একই দিনে নিয়োগ পাওয়া আরও দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আহমদ মুসাননা চৌধুরী ও মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম গত ২ এপ্রিল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন।
ওই দুইজনের পদত্যাগের আগে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ছিল ২৩০ জন। এছাড়া ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা রয়েছে ১০৩ জন।

