অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ‘নোট বাণিজ্য’-এর অভিযোগ থেকে অনেকাংশে মুক্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সিদ্ধান্তের ভয় দেখিয়ে বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগকে ‘নোট বাণিজ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার হোটেল হলিডে ইনে আইন কর্মকর্তাদের নৈতিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় নিয়ে অতীতে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। বিশেষ করে নোট বাণিজ্যের অভিযোগ থেকে নতুন আইন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর কার্যালয় অনেকাংশে মুক্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে কর্মরত আইন কর্মকর্তাদের জন্য পেশাগত নৈতিকতা বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে কার্যালয়ের ১৬০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অংশ নেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত সততা, স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করা।
দুর্নীতি, ঘুষ, দায়িত্বে অবহেলা, নথি গোপন করা কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখার কথাও জানান তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “দুর্নীতি, ঘুষ, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ায় অনৈতিক হস্তক্ষেপের কোনো স্থান এই প্রতিষ্ঠানে থাকবে না।”
তিনি আরও বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা ঘুষ, দুর্নীতি বা অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আমাদের অঙ্গীকার—সততা, স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।”

