ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত পূর্ণাঙ্গ প্যানেল জয়ী

ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন: বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের পূর্ণ জয়

ঢাকার পেশাজীবী অঙ্গনে বহুল আলোচিত ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন-এর ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ২২ ও ২৩ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিফলন দেখা যায়, যেখানে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি সমর্থিত প্রার্থীরা পৃথক প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচনকে ঘিরে কর আইনজীবীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রার্থীরা তাদের পেশাগত অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং সংগঠনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। বিশেষ করে কর আইনজীবীদের পেশাগত মানোন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংগঠনের আধুনিকায়ন ছিল নির্বাচনী প্রচারণার মূল প্রতিশ্রুতি।

নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ভোটের দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

নির্বাচনের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্যানেল পূর্ণ বিজয় অর্জন করে। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. মিজানুর রহমান (দুলাল) এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট আশরাফ হোসেন খান।

নির্বাচন কমিশনার মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত কমিটির নাম ঘোষণা করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন—

সিনিয়র সহ-সভাপতি: একেএম শহিদুল ইসলাম
সহ-সভাপতি: মো. আবুল কালাম মজুমদার
কোষাধ্যক্ষ: হেলাল-ই-আজম
সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক: মো. আরিফুর রহমান
সহ-সাধারণ সম্পাদক: মো. জামাল উদ্দিন
লাইব্রেরি সম্পাদক: মো. মাসুদুর রহমান মিয়া
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মো. নুরুল ইসলাম সুজন
ওয়েলফেয়ার সম্পাদক: মো. খলিলুর রহমান
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক: মোহাম্মদ মনিরুল হক

কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন— মো. আবু সায়েদ (লিমন), আনোয়ার হোসেন, রুপালী আক্তার, আতিকুর রহমান, মো. আলাউদ্দিন, এফ এম আছাদ উল্যা খান (জীবন), মো. ইকবাল হোসেন, মির্জা এ রহিম, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ সোলেমান, মো. কেনান হাওলাদার এবং মো. আবু নাছের মজুমদার মেজবাহ (পদাধিকারবলে)।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নির্বাচন পেশাজীবী সংগঠনগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে কর আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়ন ও সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।