অনিয়মে দায়ী পরিচালক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে ব্যাংক
সংসদে বিল পাস

বিরোধী দলের আপত্তিতে সত্ত্বেও মানবাধিকার কমিশন রহিতকরণ বিল পাস

জাতীয় সংসদ-এ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’। এর ফলে ২০২৫ সালের সংশোধনী অধ্যাদেশ বাতিল করে পুনরায় কার্যকর করা হলো ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিলটি পাস হয়। বিলটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান

বিলটি নিয়ে অধিবেশন চলাকালে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি তোলা হয়। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বিলের বিরোধিতা করে বলেন, ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে এই কমিশন বিরোধী দল দমনে ব্যবহৃত হয়েছে। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত একটি পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ, যা দেশের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করবে।

এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বিলটি যথাযথ পর্যালোচনা করেই সংসদে আনা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, “সংসদ সদস্য সব পড়েছেন, শুধু বিলটি পড়েননি।”

মন্ত্রী আরও জানান, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য আইন প্রণয়নের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিলের পর যদি ২০০৯ সালের আইন সাময়িকভাবে পুনঃপ্রচলন না করা হতো, তাহলে দেশে মানবাধিকার কমিশনের আইনি কাঠামো অনিশ্চিত হয়ে পড়ত।

এই বিল পাসের মাধ্যমে দেশে মানবাধিকার কমিশনের আইনি ভিত্তি বহাল থাকলেও, বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।